প্রচ্ছদকবিতাজুলাইয়ের কবিতা

লিখেছেন : আবু জাফর সিকদার

জুলাইয়ের কবিতা

আবু জাফর সিকদার

১.পানি লাগবে পানি
……………………

তৃষ্ণায় ছাতি ফেটে যায়,
কেউ একজন কি বুঝেছিলো জীবনের দামে পানি বিকায়!

পানি লাগবে পানি,
পানি লাগবে পানি!

একটুকরো কাগজে
রঙতুলির জলরঙ আঁকা একটি ঘাসফড়িং ওড়ে, মনের গহীনে চাতক চঞ্চুতে সে কী ভীষণ আকুলতা!

পানি লাগবে পানি,
পানি লাগবে পানি!

ঝাঁঝালো ধোয়ায় মুছে যায়
চোখের হিরন্ময় দ্যুতি
আলোর সপ্তপর্দা নিভে যায়
দিগন্ত জুড়ে বিবরের আঁধার নামে
জুলাইর বাড়ন্ত দুপুরে।

অদূরে গুলির মুহুর্মুহু শব্দের ভেতর নেমে আসে নৈশব্দের অর্কেস্ট্রা।

ধীরে ধীরে মিলিয়ে যেতে থাকে ইথারে…
পানি লাগবে পানি
পানি লাগবে পা..নি..!

অরচার্ড পার্ক।
১৮ জুলাই ২০২৬

২.জাফরের শার্ট অথবা রক্তমাখা ইউনিফর্ম
…………………………………………..

আসাদ গেইট থেকে উত্তরা আজমপুর পথ দীর্ঘতর নয়,
উনসত্তর থেকে চব্বিশে
দীঘল আঁধার প্রগাঢ় হয় অমানিশার গর্ভে।
অবশেষে আসাদের শার্টের আর একজন উত্তরাধিকারী পেয়ে যায়
প্রিয় স্বদেশ।
এ যেন স্বাধীনতার ম্যারাথনে
মশাল বহনকারী সদ্য কৈশোর পেরুনো অদম্য সারথি।
বর্ষার তুমুল বাদলা দিনে,
বৃষ্টি ভেজা কদমের মতো,
সুরভী ছড়িয়ে,
বুকটান করে,
দাঁড়িয়ে পড়া এক দুর্জয় বালক।
দিনটি ছিলো চব্বিশের সতেরো জুলাই।
ঘাতক বুলেটের আগুনবৃষ্টির মুখে,
বৃষ্টির বেয়াড়া ফোঁটার মতো
পিঠ, ঘাড়ে ঘাতক বুলেট
আছড়ে পড়ে।
লোগো আঁকা ড্রেসকোডের
সফেদ শার্টটি গায়ে জড়িয়ে,
কলেজ আঙিনা থেকে দু-পা বাড়িয়ে,
যেন একটি সাদা কফিন রক্তমাখা ঠায় দাঁড়িয়ে
যেন শুভ্রতা ভুলে ফুটেছিলো দ্রোহের অজস্র লালপদ্ম।

অরচার্ড পার্ক।
১৭ জুলাই ২০২৬

৩.আবু সাঈদ
……………

জুলাই আসে, জুলাই যায়
আবু সাঈদ দাঁড়িয়ে থাকে ঠায়।

উত্তাল শহরে দিকে দিকে কোলাহল হৈচৈ
জানো, হেক্টর পিটার্সনের মতো গুলির মুখে দাঁড়িয়ে থাকা
সে-ই আবু সাঈদ কই?

দেয়ালে দেয়ালে গ্রাফিতিতে আঁকা
দুই হাত মুক্তডানার মতো ছড়িয়ে,
দ্রোহের এক বাঁশের কঞ্চি উঁচিয়ে
যার স্বাধীনতা ছিলো রক্তমাখা।

দাবী তো ছিলো একটাই
থাকবে না দেশে বৈষম্যের ঠায়।

জুলাই আসে,জুলাই যায়…
বৈষম্য কেবল বিষবৃক্ষের মতো ডালপালা ছড়ায়,
চব্বিশের আবু সাঈদ আজও দাঁড়িয়ে থাকে ঠায়।
….
লালমাটিয়া। ঢাকা
১৬ জুলাই।
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬।

৪.আনাসের চিঠি
………………..

ব্ল্যাকহোলের মতো সব কিছু টেনে নিচ্ছে ভ্লাড ড্রাকুলার মতো এক রক্তচোষা নারী

আনাস সেই অদৃশ্য টানে,
দৈব ঘূর্ণি জালে জড়িয়ে,
ছুটেছে জীবনকে উপেক্ষা করে।

প্রেমময় এক ধুসর বিবর্ণ রঙধনু,
নিলয়ের লাল লহু কলমে ভরে
লেখে রাখে আপন ভাগ্যলিপি।

মায়ের সবুজ জমিন লাল পাড়ের শাড়িতে নকশি আঁকা
স্বপ্ন দীঘল ভবিষ্যতের হাতছানি,
ব্ল্যাকহোলের মতো সব কিছু টেনে নিয়ে গেছে এক রক্তচোষা নারী।

ক্ষত বিক্ষত মানচিত্রের ছাই চাপা আগুনের বিদগ্ধ গল্পো,
কখনও ইচ্ছে হলে, ভাঁজ খুলে পড়ে নিও।

হেসে খেলে নিলামে তুলে জীবন,
নৈশব্দকে করে আলিঙ্গন;
চিঠির খোলা খামে তারই ঠিকানা
সোনার অক্ষরে থাকলো লেখা
এক পরিপূর্ণ জুলাই মিউজিয়াম।
….
অরচার্ড পার্ক।
১৫ জুলাই ২০২৬

৫.চড়া দামে বিক্রি
…………………

খুব চড়া দামে গরীবের সুন্দরী বৌয়ের মতো করে
বস নিয়ে গেল একদিন।

কাছে ডেকে নিলেন লিডার!
কানে কানে ফিসফাস,
চোখে চোখ রেখে ইশারায় বলে
বিক্রয় হবে?
দশটাকার মাল, কোটি টাকায়!

ফকিন্নির পোলার পেটে ঠিক মতো দুবেলা ভাত জুটে না
পিন্দনের কাপড়েও টান,
বাপে হাঁপানির রোগী তবুও রিকশায় প্যাডেল মারে, পুরান ঢাকার অলিগলি চষে জোটায় দুবেলা আহার।
মায়েও কোন রকমে ছুটা ঝিয়ের কাজে গতর খাটায়
পেলাস্টিকের বস্তা কান্ধে ঝুলিয়ে পোলাডা ছেঁড়া কাগজ, বোতল, এটা ওটা টোকায় সারাদিন
দশ, বিশ, তিরিশ টেহা যা জোটে কোনো বেলা খায়, অন্য বেলা উপোস দেয়।

জীবন যেন এক দশমণি বোঝার মতো চেপে বসে আছে মাথার উপর!

দেখতে দেখতে দিন বদলায়
অহন সেই ছেলে কৈশোর পেরিয়ে বিশ কি একুশের সিঁড়িতে পা বাড়ায়।
টেহার বিনিময়ে
মিছিলের আগে আগে হেলমেট পরে ঘুরে।
হাতে ঝকঝকে রামদা ঝিলিক মারে।
লিডার কইছে কোপানি ঠিকঠাক মতো দিতে পারলে পরের বার একখানা কার্তুজের বিদেশী মাল, এক্কেরে সেনাইপার মিশিন !
লিডারের ইচ্ছা মতো প্রথম দিনেই কোপাইয়া একজনের মাথা আর দুজনের হাত নামায় দিছে।

জুলাই জুড়ে কোপাইতে কোপাইতে হাতে জশ উইঠা গেছিলো।
জুলাই এর মধ্যগগণে আন্দোলন তুঙ্গে, চারদিকে বারুদের মতো ফুঁসে ওঠে জন জাগরণ!
রামদা অচল। এবার লিডারের স্নাইপারে শেষ ভরসা,
৭.৬২ মিমি, ৫৬ টাইপ অ্যাসল্ট রাইফেল।

যহন হাতে পাইলো তহন আর কোনো কিছু গুনার টাইম নাই!

গণমুক্তি ফৌজি সেনার মতো হেলমেট পরে ব্যূহ ভেদ করে পুরো পৃথিবী যেন একই সমতলে দোল খাচ্ছে!

স্বল্প কিংবা দূরপাল্লায়
অগ্রবর্তী পেটোয়া প্রহরায়, গুলো বিষ্টির উল্লাসে ঝরে পড়েলো
পথে প্রান্তরে অগুণতি
প্রস্ফুটিত রক্ত গোলাপ!

বর্ষা বিপ্লবের বন্যায় তখনও টিনের ঢাল আর ইটের কণার ঢিলে প্রতিরোধ ব্যূহ ভেদ করে গেয়ে চলে অযুত নিযুত জুলাইযোদ্ধা, গেয়ে চলে জীবনের গান।

চড়া দামে বিক্রিত মাল,
অবশেষে জিল্লতি আর ফেরারি আঁধারে হাবুডুবু বাঁচে, পলাতক বেহাল।

অরচার্ড পার্ক।
১১ জুলাই ২০২৬।

৬.রিয়া

[জুলাই শহিদ রিয়া গোপের জন্য এলিজি]
…………………………………………

একটি পাখি রিয়া
যাচ্ছে উড়ে
যাচ্ছে উড়ে উড়ে…
যাচ্ছো কোথা সোনার খাঁচা থুইয়া?

একটি পাখি রিয়া
যাচ্ছে উড়ে
যাচ্ছে উড়ে উড়ে…
ছাদ বাগানে হেসে খেলে
প্রাণটা শেষে খুইয়া।

একটি পাখি রিয়া
যাচ্ছে উড়ে
যাচ্ছে উড়ে উড়ে…
মায়ের আদর বাপের সোহাগ
ভাঙা হৃদয় রুইয়া।

একটি পাখি রিয়া
যাচ্ছে উড়ে
যাচ্ছে উড়ে উড়ে…
জলপাই ঠোঁটে অচিন পথে
পাপের বোঝা ধুইয়া।

একটি পাখি রিয়া
যাচ্ছে উড়ে
যাচ্ছে উড়ে উড়ে…
রক্তে ভেজা সবুজবীথি
তোমার প্রেমে শুইয়া।
….

১১ জুলাই ২০২৬
(২৪ জুলাই ২০২৪ রিয়া গোপ মাত্র ৬ বছরের অবুঝ শিশু নারায়ণগঞ্জের নয়ামাটি, নিজ বাড়ির ছাদে খেলতে গিয়ে জুলাই আন্দোলনের সময় পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হয়)

৭.দুনিয়া কাঁপানো ছত্রিশ দিন
……………………………

দুনিয়া কাঁপানো ছত্রিশ দিন
ঘর থেকে বের হয়ে রাজপথের দ্বৈরথে
বিজয়ী যারা মৃত্যুঞ্জয়ী বীর
শুধিবে কী করে তাদের ঋণ!

সময়ের ঘড়ি ঘুরতে থাকে একদিন,দুদিন
রুদ্ধশ্বাসে ছত্রিশ দিন।
মৃত্যু উপত্যকায় পাগলা হায়েনার চিৎকারের মতো
জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে বারুদের হুঙ্কার-
‘গুলি করি। মরে একটা। একটাই যায়, স্যার। বাকিডি যায় না।’

ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল অগ্নিগর্ভ, উত্তাল ঢেউয়ের মতো নামে জনসমুদ্র।
শোকের বদলে লাল হয় পরিচয়ের স্মারক।

কসাই রাডোভান কারাদিচের মতো
হাবিয়া নরকের উত্তাপ ছড়িয়ে দেয় শেখের বেটি ।
হেনরিখ হিমলার কিংবা
ল্যাভরেন্তি বেরিয়া আবার জীবন্ত হয়ে ফিরে এই অরক্ষিত সবুজে।

দুনিয়া কাঁপানো সেই ছত্রিশ দিন
চারদিকে একযোগে বেজে ওঠেছিলো নাগীন বধের বীণ।

যঃ পলায়তি সঃ জীবতি!
আহা! ফেরারি পলায়নের জিন্দেগী,
বিধাতার কী নির্মম নিয়তি-
ল্যাম্পপোস্টে ঝুলিয়ে দেয়া মুসোলিনির মৃত্যু স্বাদের চেয়েও বিষাদ,
বিষাক্ত যাপনের করুণ জিল্লতি!

তবুও লাঞ্ছনা ও বঞ্চনায়
নিঃসঙ্গতা ও হতাশার চোরাবলিতে
তিলে তিলে বেঁচে থাকার সাধ,
কাটে না দুর্বিসহ সময়,
চারদিকে কেবল অমাবস্যার রাত।

দুঃস্বপ্ন তাড়া করছে সেই দুনিয়া কাঁপানো ছত্রিশ দিন।
জুলাইয়ে রাজপথে বিজয়ী যারা মৃত্যুঞ্জয়ী বীর
শুধিবে কী করে তাদের ঋণ!

অরচার্ড পার্ক।
০২ জুলাই ২০২৬

৮. জুলাইয়ে ফুল
………………..

বরষার ঘনঘোরে বৃষ্টির মতো রক্ত ঝরে
ঘাতকের নির্মমতায় শিশুরাও অকাতরে মরে।

কদমের সুরভি মেখে পথে পথে গড়িয়েছে অনাদরে
কারবালার হাহাকার উঠেছিলো ঘরে ঘরে।

নানুর কোলে ঝুলেছিলো আহাদের নিথর দেহ,
জুলাইয়ের সেই করুণ ছবি ভোলেনি আজও কেহ।

অবুঝ শিশুদের বিদেহী আত্মা এখনও কাঁদে
তাদেরই শোকে গ্রহণ লেগেছে বুঝি চাঁদে!

স্নাইপার বুলেটে ঝাঁঝরা হলো কতো বুক
নিমিষে কেড়ে নিলো ঘরে ঘরে অমিত সুখ।

হারিয়েছি জুলাইয়ে কতো না ফোটা ফুল
সেই ভুলে ঘাতকের গেছে একূল ওকূল।

ঘাতক আজও স্বপ্ন বুনে ফিরবে নাকি ফের
এসো এসো, তোমার শাস্তি বাকি রয়েছে ঢের।

(জুলাইয়ের শিশু শহিদ আহাদ স্মরণে)

অরচার্ড পার্ক
২০ জুলাই ২০২৬

৯. চোখ
………..

চোখ কতটুকুই বা আর দেখতে পায়?
শরীরের অধিকাংশ যখন চোখের সীমানার অগোচরে,
তার ওপর ভরসার জায়গা কই!

তবুও চোখ আছে বলেই
পৃথিবী এত সুন্দর।

নিভে যাওয়া চোখের কর্নিয়া ভিজে ওঠে
বিষাদের কালোপর্দার আড়ালে
কেউ বোঝে না তার যাতনার নেপথ্যে কষ্টবোধ।

এই চোখ আবার দিব্য দৃষ্টিতে সব অবলোকন করতে পারলেও এক চক্ষু হরিণের মতো
অবলীলায় দলান্ধ অন্ধবণিক বনে যায় !
আবার চোখের পর্দা যখন বিলুপ্ত হয়, চক্ষুলজ্জাও লোপ পায়।

আবার চোখের ভেতর যখন জ্বলে দ্রোহের আগুন
জোনাকি পোকার মতো,
পথে পথে নামে
কিছু জুলাইয়ের চোখ;
ঘাতক বুলেটের ট্রিগার
বেপরোয়া গর্জে ওঠে
তবুও থামে না প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ; চোখে রেখে চোখ।

হঠাৎ যেন নিভে গেছে আলো, জগৎ হয়ে গেছে আঁধার কালো ;
জুলাই জ্যোতিতে বেঁচে থাকে সেই নষ্ট চোখের আলো।

অরচার্ড পার্ক।
২১ জুলাই ২০২৬।

১০. কতিপয় নারী
…………………

কতিপয় নারীও প্রেমে পড়ে প্রতিরোধ যুদ্ধের।

মা হাসি মুখে বিদায় জানায়
প্রাণপ্রিয় সন্তানকে।
রাহুমুক্ত দেশে গণমানুষের মুক্তির জন্য, উৎসর্গকৃত সন্তানের জননীগণ, অভিবাদন!

বোনও ভাইকে নিয়ে গেছে রাজপথের প্রতিবাদ মিছিলে।
অগ্নিকন্যা পেটোয়া কনভয় ঠেকিয়ে দেয়,ভাইকে নেয় ছিনিয়ে।

মাত্র বাইশ বছরের মারিয়া সুলতানার মতো
সদ্য বিবাহিত নারীও পিছিয়ে থাকে না,
এক অনিশ্চিত পৃথিবীর পথে ছেড়ে দেয়, প্রিয়তম স্বামীর হাত।

হামাগুড়ি দেয়া কোলের ফুটফুটে মেয়ে শিশুটি,
আরিয়ানা কাজী নুজাইরাহ,
গোলাপের পেলবতা মেখে, প্রতীক্ষায় থাকে বাবা আসবে বলে…
শোকে পাথর আর অপেক্ষায় কাতর একটি পরিবার ডুবে যায় এক বিয়োগান্ত সলিলে।

ওরা কতিপয় নারী –
সবাই যুদ্ধে গেছে মুক্তির মোহনায়,
কেউ শনির আখড়ায়,
কেউ বা নেমে আসে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তায় ,
কেউ বা ঘাতকের মুখোমুখি হয় অপরাজেয় বাংলায়;
শাহবাগে, সাভারে,উত্তরায়।

ক্যাম্পাসে, ক্যাম্পাসে কিংবা প্রত্যন্ত জনপদে গড়ে তুলে ওরা দুর্ভেদ্য প্রতিরোধ প্রাচীর।
গলি থেকে রাজপথ,
বাজার থেকে উন্মুক্ত প্রান্তর, শহর থেকে শহরে বেরিয়ে পড়ে গন্ধ বণিকের মতো অনিবার্য এক বিপ্লবের সুগন্ধি বিলাবে বলে।

প্রত্যয় একটাই –
হয় স্বাধীনতা, নয় মৃত্যু!

ওরা এগারো জন,
একে একে মিছিলে হয় শামিল।
নাসিফা, নাছিমা, নাঈমা
কিংবা লিজা, রীতা, রিয়ার মতো
মায়া, মেহেরুন, সুমাইয়া, কোহিনূর এবং নামগোত্রহীন আরও একজন।
জুলাই জুড়ে মৃত্যুঞ্জয়ী কতিপয় নারী।

একাত্তর পেরিয়ে চব্বিশ,
এক শতাব্দীর জঠর থেকে আর এক শতাব্দীর দীঘল পরিক্রমায় আসে জুলাই বর্ষা বিপ্লবের ডাক।

অতপর কতিপয় নারীর ছোপ ছোপ রক্ত মিশে থাকে মুক্তির মিছিলে,
ওরা ফেরে না আর আপন নীড়ে।

অরচার্ড পার্ক।
২১ জুলাই ২০২৬।

আরও পড়তে পারেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_imgspot_imgspot_imgspot_img
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img
spot_imgspot_imgspot_img
- Advertisment -spot_imgspot_imgspot_img

জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য সমূহ

কামরুন নাহার on গুচ্ছ কবিতা
ফরিদ ভূঁইয়া on জুলাইয়ের কবিতা
Mehedi Hasan on তেলাপোকা