আবদুল হামিদ মাহবুব
চৈতন্য গেছেই তবে
………….
দেয়ালে দেয়ালে চিত্র এঁকে রাখছে ধরে ইতিহাস
বুবুর দোসর বলতো তোরা;এসব দেখে ভীতি পাস?
ভীতি পেলে বুঝতে হবে
চৈতন্য গেছেই তবে
ভ্রান্ত কাজে হয়ে গেছে তোদের সকল নীতি হ্রাস!
……….……
হচ্ছে না কাজ কিচ্ছুতে
…………….
জুলাই এসে আবার বলে তাকিয়ে দেখো এই যে
জপের মালা হাতে নিয়ে গুনছে সময় সেই যে
হচ্ছে না কাজ কিচ্ছুতে
দিচ্ছে জ্বালা বিচ্ছুতে
সময় দ্রুত যাচ্ছে চলে আশার কিছুই নেই যে!
……………
দোসর ও যে দোসর
……………
জুলাইটাকে ভুলাই দিতে ঘুঁটি চালে যে
কমিশনের বৈঠকে দিচ্ছে প্রমাণ সে
হয়নি আজও হুঁশ ওর
দোসর ও যে দোসর
ঘাঁটালে তো বলেই দেবো ওই সে শালা কে!
…………….
ভয় পেলে নাই জয়
…………….
ভয় পেলে নাই জয় তাই ভয় তাড়িয়ে
বুলেটের সামনে গেলো সব দাঁড়িয়ে
বুকে বিঁধে শত গুলি
উড়ে আরো কত খুলি
সাহসে প্রাণ দিয়ে দেয় তারে হারিয়ে।
…………….
নতুন ফাগুন
…………….
ওরা বাড় বেড়েছিলো শত শত গুণ
ক্ষমতা টিকাতে করে অগুনতি খুন
গুলি খেয়ে পথে নামে
প্রতিরোধ ডানে বামে
ফাগুনের আগেই আনে নতুন ফাগুন।
…………
কথা এটাই
…………
এটাই হলো কথা, এটাই আমার দেশ
দেশটা নিয়ে স্বপ্ন দেখি থাকে তারই রেশ-
ফ্যাসিস্ট কারো দেশটা নয়
আমার-তোমার দেশটা হয়
সব সহে থাকবো দেশে,কথা এটাই, শেষ।
………….
মাসীর দেশে আসন গেড়ে
………….
কূটচাল বিফল হলো যেসব ছিলো সূক্ষ্ম
দুঃখ অনেক দুঃখ গো, তাদের অনেক দুঃখ
ওসব পথ সবই ছেড়ে
মাসীর দেশে আসন গেড়ে
আবোলতাবোল করায় দেশে মেজাজ করে রুক্ষ!
………………
ওই ওই আসছে
………………
আহা আহা নেতারে ওই ওই আসে
কর্মীরা বিগলিত খুশি মনে হাসে
আগেরই রূপে সবে
ধামকিয়ে কথা কবে
খোকারা সব বুঝে খুক খুক কাশে!
…………….
দেয়াল লিখন
…………….
এই দেয়ালে লিখে রাখা, সেই কথাটা; একি!
‘লড়াই জারি’ রাখতে হবে মনের কথা দেখি
দেয়াল লিখন তাইতো নিলাম
সবার কাছে এইতো দিলাম
ফ্যাসিস্ট ফেরার পথটা ঠেকাও খুব বিনয়ে, লেখি।
……………
গাই তাঁর জয়গান
…………….
রিক্সার পাটাতনে পড়ে আছে যে
জুলাইয়ের যুদ্ধা বীর ছেলে সে
লড়াইয়ে দিলো প্রাণ
গাই তাঁর জয়গান
শ্রদ্ধায় সব্বাই তাঁরে স্যালুট দে।







