আমান আবদুহু
কোরআনর শরীফে একটা আয়াত আছে। “হে বিশ্বাসীরা, তোমরা আল্লাহর সাক্ষী হিসেবে ন্যায়ের উপর অটল থাকবে। যদি তা তোমাদের নিজেদের, অথবা পিতামাতার অথবা নিকটাত্মীয়দের বিরুদ্ধেও হয়। সে ধনী হোক অথবা গরীব হোক, আল্লাহ উভয়েরই ঘনিষ্ঠতর। সুতরাং ন্যায়বিচার করতে গিয়ে প্রবৃত্তির অনুসরণ করবে না। যদি তোমরা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কথা বলো অথবা পাশ কাটিয়ে যাও, তোমরা কি কর তা সম্পর্কে আল্লাহ খুব ভালোভাবেই জানেন।” এখানে অনেক গভীর এবং অনেক বেশি অর্থবহ অনেকগুলো কথা জমাট বেঁধে আছে।
আমার হয়তো কপাল ভালো না। এই আদেশ পুরোপুরি পালন করতে পারে এমন মানুষ দেখি নাই। মাঝে মাঝে মনে হয় আল্লাহ এই অসম্ভব কাজ কেন মানুষের উপর চাপিয়ে দিলেন। তারপর নিজেকে বুঝাই, হয়তো অসম্ভব না। বরং আমার কপাল খারাপ। অথবা কেন দিলেন আর কি হবে তা তিনিই ভালো জানেন। তিনি সর্বজ্ঞ এবং ন্যায়বিচারকারী, তাঁর সব কিছু মানুষের পক্ষে বুঝা সম্ভব না।
তবে কিছু মানুষ দেখছি যারা এই আয়াত পালনে কিছুটা সফল। কদরুদ্দিন শিশির তাদের মাঝে একজন, প্রফেশনাল আঙ্গিক থেকে।
আমার মতে বাংলাদেশের জঙ্গলদেশে পরিণত হওয়ার পেছনে বৃহৎ অবদান রেখেছে সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীরা। সুতরাং সাংবাদিকদেরকে মন খুলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করি। এই গালিগুলো দেয়ার সময় তিনটা নাম ভেবে একটু অস্বস্তি হয়। কদরুদ্দিন শিশির, আলফাজ আনাম এবং তাইয়িব আহমেদ। এই তিনজন লোক আমার সাংবাদিক সংক্রান্ত কথাবার্তাগুলো না দেখতে পেলে ভালো হতো। বাকিরা একদম ঠিকাছে।
এই প্রতিবেদনের যে শিরোনাম, এর চাইতে সঠিক শিরোনাম আর হয় না। নিজের জরুরত হওয়া পর্যন্ত, অর্থ্যাৎ নিজের পক্ষে যাওয়া পর্যন্ত যেই সাংবাদিককে সবাই অপছন্দ করে। আমার আরেকটা ধারণা হলো, উন্নত গর্বিত মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমুন্নত সোনার বাংলাদেশে এই ভদ্রলোক টিকতে পারবে না। অথবা এইসব দুষ্ট কাজকর্ম সমানতালে চালিয়ে যেতে পারবে না।







