তাজ ইসলাম
কার্টুনটা এঁকেছে কার্টুনিস্ট মেহেদী। কার্টুন আঁকা বাক স্বাধীনতার অংশ। সেই স্বাধীনতা প্রকাশ করতে কার্টুনটি আঁকলেন। জুলাই এদেশের বাস্তবতায় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র রক্ষার ঐতিহাসিক দিন হিসেবেই সমাদৃত আন্দোলনকারীদের কাছে।
পতিত ফ্যাসিস্ট ও তার দোসর ছাড়া অন্য সবাই জুলাইকে সম্মান করে, ধারণ করে। ফ্যাসিস্টের দোসররা লীগ পরিচয়কে আড়ালে রাখে। তারা লীগ করে পরিচয় দেয় অন্য কিছু। কার্টুনিস্ট এমন একটি পরিচয়। মেহেদী তার কার্টুনে ব্যঙ্গ করেছে জুলাই ও জুলাইয়ের আলোচিত শহীদ আবু সাইদকে। এটা তার বাক স্বাধীনতা।
জুলাই সংগঠিত হয়েছে এই তো সেদিন। আর ৭১ অতিক্রম করেছে ৫৫ বছর। এই ৫৫ বছরে ৭১ এর পর কি হয়েছে কি হয়নি তার হিসাব সবার জানা।
বাকশাল হয়েছে, তলাবিহীন ঝুড়ি হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা ভালো যেমন আছেন তেমন মুক্তিযোদ্ধাদের চুরি,ডাকাতি, ধর্ষন, দুর্নীতিবাজও আছে।
মেহেদী কি পারবে কিংবা করবে বা করেছে কখনো একজন দুর্নীতিবাজ মুক্তিযোদ্ধাকে এভাবে চিহ্নিত করতে! অথবা হাসিনার ষোল বছরকে চিত্রিত করেছে?
জুলাইয়ে হাসিনার দানব চরিত্রকে চিত্রিত করেছে তার কার্টুনে?
বাক স্বাধীনতা যখন এক চোখা হয় তখন কার্টুনিস্ট তার সাঙ্গ পাঙ্গদের বলা হয় কার্টুনলীগ।
কার্টুনলীগকে জনতা যদি ফ্যাসিজমের উৎপাদক, উৎসাহদাতা হিসেবে দেনা পাওনা বুঝিয়ে দেয় তখন আবার কান্নাকাটি শুরু হয় নানা বয়ানে। প্রশ্ন করা ভালো প্রশ্নের নামে ঘৃণা ছড়ানোতো সততা না।
মেহেদীরা ঘৃণা উৎপাদন করে। লীগের পক্ষে কার্টুনলীগ হয়ে কাজ করে। করুক, জুলাই মেহেদীদের এই অধিকার ফিরায়ে দিয়েছে। হাসিনার আমলের কথা হয়তো মেহেদীরা ভুলে গেছে। পেছনে তাকালেই দেখতে পাবে হাসিনা কার্টুন আঁকার জন্য থাবড়িয়ে কান ফাটিয়ে ছিল, থাবড়াতে-থাবড়াতে মেরেই ফেলেছিল। যে জুলাই থাপড় থেকে রক্ষা করল সেই জুলাইকেই ঘৃণা করে। একেই বলে অকৃতজ্ঞ।







