শেখ এখতিয়ার বাকী
আমরা যত বলি মেহেদি হকেরা কার্টুনিস্ট না ওরা তাজুদ্দিনের রিফাইন্ড আওয়ামীলীগ, এটাই ওদের নিয়তি, এইটা হওয়া ছাড়া তাদের কোনো গতি নাই। হাজার বার, এক কোটি বার চেষ্টা করলেও ওরা শেখ মুজিব থিকা বাইর হইতে পারবে না ততই মেঘমল্লার বসুরা জোর করে আমাদের বোঝাইতে চায়, না ওরা আওয়ামীলীগ না ওরা আর্টিস্ট। শুধু আর্টিস্ট না এলিট ক্লাসের আর্টিস্ট।
শ্রেণী সংগ্রাম পাঠ করে আইসা এখন আমাদের উনারা এলিট ক্লাসের আর্টিস্ট শেখাইতেছেন, ভালো।
এদেশে মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসার বিরুদ্ধে জীবনে যারা কোনো শক্তিশালী আর্ট দাঁড় করাইতে পারে নাই তারা এখন আমাদেরকে জুলাই মকারি কইরা আর্ট শেখাইতেছে মানে জুলাইয়ের আগে ওদের আক্কেল দাঁত ওঠে নাই। জুলাইয়ের থাপ্পড় খাওয়ার পর জিনিসটা গজাইছে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনার জোশে বিএনপি আর জামাত শিবির কইয়া যখন এদেশে মানুষ হত্যা করা হইত তখন শেখ মুজিব বা মুক্তিযুদ্ধরে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যাইতো না। এখনও যায় না।
যুদ্ধের পরের অরাজকতা, শেখ মুজিবের হঠকারিতা অতঃপর সেই একই বয়ানে তার কন্যার দানব হইয়া ওঠা এইগুলোতে মুক্তিযুদ্ধের কোনো দায় নাই। কিন্তু জুলাইয়ের পরে সংগঠিত প্রতিটা ঘটনার দায় জুলাই-শহিদ আর জুলাই অভ্যুত্থানের। আপা থাকলে এসবের কিছুই হতো না।
‘আগেই ভালো ছিলাম’ কথাটা চক্ষুলজ্জার ভয়ে মুখ ফুটে বলতে না পারার অক্ষমতারে প্রকাশ করার নব্য মাধ্যম হইল আর্ট, কার্টুন, আর ছিনিয়ার সাংবাদিকতা।







