প্রচ্ছদগল্পউপকথার জন্ম

লিখেছেন : বিশ্বজিৎ মণ্ডল

উপকথার জন্ম


বিশ্বজিৎ মণ্ডল

প্রথম

কৃষ্ণনগর শহরের এক পুরোনো গলির ভেতরে একতলা ভাড়া বাড়ির ছোট্ট একটি ঘর। জানালার বাইরে একটি কদমগাছ। বর্ষা এলেই ডালপালাগুলো নুয়ে পড়ে জানালার গায়ে। সেই ঘরেই থাকে প্রদ্যুম্ন মিত্র। বয়স তিরিশের কাছাকাছি। পরিচয়—তরুণ সাহিত্যিক। কিন্তু সাহিত্যিক পরিচয় দিয়ে বাজার থেকে চাল-ডাল কেনা যায় না। তাই জীবিকা বলতে টিউশন আর লেখালিখি।
পত্রিকায় গল্প ছাপা হয়, লিটল ম্যাগাজিনে নাম বেরোয়, সাহিত্যসভায় ডাকা হয়। তবু মাসের শেষে হিসাবের খাতা খুললেই বোঝা যায়, লেখার সম্মান আছে, সম্মানী নেই।

কলেজে পড়ার সময় বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সুদীপ্ত চক্রবর্তী একদিন বলেছিলেন,
— “প্রদ্যুম্ন, টিউশন জীবিকা নয়, এটা উঞ্ছবৃত্তি। শিক্ষককে কখনও জ্ঞানের ফেরিওয়ালা হতে নেই।”
কথাটা আজও মনে পড়ে। তখন প্রতিবাদ করার সাহস হয়নি। এখন মনে মনে উত্তর দেয়—
“যে সমাজ শিক্ষককে বিদ্যালয়ে বাঁচিয়ে রাখতে পারে না, সেই সমাজই তাকে টিউশনের পথে ঠেলে দেয়। তবু শিক্ষা বিক্রি হয় না; বিক্রি হয় কেবল সময়।”

রাত জেগে লেখাই তার অভ্যাস। রাত বাড়লে পৃথিবীর শব্দ কমে আসে। মানুষের ভেতরের শব্দ তখন স্পষ্ট শোনা যায়। ভোর চারটের দিকে উঠে চা বসায়। ধোঁয়া ওঠা কাপ হাতে জানালার পাশে বসে লেখে।
লেখার খাতায় লিখল—
“অন্ধকারেরও একটি ভাষা আছে। সেই ভাষা শিখতে পারলেই গল্পের জন্ম হয়।”
হঠাৎ পাশের ঘর থেকে বাড়িওয়ালার গলা ভেসে এল।
— “প্রদ্যুম্নবাবু, ঘুমোননি এখনও?”
— “না কাকাবাবু, একটু লিখছিলাম।”
— “এত লিখে কী হয় বাবা? চাকরির পরীক্ষা-টরিক্ষা দাও। লেখালিখি করে সংসার চলে?”
প্রদ্যুম্ন মৃদু হেসে বলল,
— “চেষ্টা করছি কাকাবাবু।”
লোকটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে চলে গেল।

এই প্রশ্নের উত্তর প্রদ্যুম্ন বহুবার শুনেছে, বহুবার এড়িয়েছে। কিন্তু নিজের কাছ থেকে পালাতে পারেনি। সত্যিই কি লেখালিখি মানুষকে বাঁচায়? নাকি কেবল বাঁচার ভ্রম দেয়?
ঘড়িতে তখন সকাল সাড়ে সাতটা।
একটু পরেই প্রথম ব্যাচ আসবে।
এক এক করে রাহুল, মেঘলা, শুভ, তনুশ্রী এসে বসে।
রাহুল বলল,
— “স্যার, আজ কিন্তু অঙ্কে খুব কঠিন চ্যাপ্টার।”
প্রদ্যুম্ন হেসে বলল,
— “কঠিন অঙ্ককে ভয় পেলে হবে? জীবনের অঙ্ক আরও কঠিন।”
মেঘলা হেসে বলল,
— “আপনি না স্যার, সবকিছুর সঙ্গে জীবন জুড়ে দেন!”
— “কারণ বই শেষ হয়ে যায়, জীবন শেষ হয় না।”
পড়াতে পড়াতে হঠাৎ সে প্রশ্ন করল,
— “বলো তো, মানুষ বড় হয় কীসে?”
শুভ বলল,
— “অনেক টাকা থাকলে।”
রাহুল বলল,
— “বড় চাকরি করলে।”
প্রদ্যুম্ন মাথা নাড়ল।
— “না। মানুষ বড় হয় নিজের ব্যবহার দিয়ে। বড় বাড়ি বানানো সহজ, বড় মন বানানো কঠিন।”
টিউশন ক্লাসে নীরবতা নেমে এল।

পড়া শেষ হলে তনুশ্রী ব্যাগ গোছাতে গোছাতে বলল,
— “স্যার, আপনি যদি শুধু লেখক হতেন, তাহলে কি আমাদের পড়াতেন না?”
প্রদ্যুম্ন কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।
তারপর বলল,
— “তোমাদের পড়াতে না পারলে হয়তো আমি লেখকই হতে পারতাম না। মানুষকে না জেনে মানুষের গল্প লেখা যায় না।”
শিক্ষার্থীরা চলে যাওয়ার পর দরজায় কড়া নাড়লেন এক অভিভাবক।
— “স্যার, একটা কথা ছিল।”
— “বলুন।”
— “আপনার ফি খুব কম। বাড়িয়ে নিন। কম টাকা নিলে শিক্ষকের সুনাম থাকেনা।” ভদ্রলোকের পরামর্শ শুনে প্রদ্যুম্ন অবাক।
— “সবাই তো কমাতে বলে।”
লোকটি হেসে বললেন,
— “সবাই শিক্ষক পায় না। আমার ছেলে আগে পড়তে চাইত না। এখন সকাল থেকে আপনার গল্প শোনায়।”
প্রদ্যুম্ন মৃদু লজ্জা পেল অভিভাবকের এমন মত প্রকাশে।
— “ওরা ভাল থাকলেই আমার প্রাপ্তি।”
ভদ্রলোক চলে গেলে প্রদ্যুম্ন আবার টেবিলে বসল।
সামনে সাদা কাগজ।
কিন্তু আজ গল্প এগোচ্ছে না।
সে জানালার বাইরে তাকাল। কদমগাছে একটি শালিক এসে বসেছে। পাখিটা ডাল বদলাচ্ছে বারবার। প্রদ্যুম্নর মনে হল, মানুষও বোধহয় পাখির মত—একটি নিরাপদ ডালের খোঁজে সারাজীবন উড়ে বেড়ায়।
কলম তুলে সে আবার লিখল—
“যে মানুষ নিজের ঠিকানা খুঁজে পায় না, সে-ই সবচেয়ে বেশি গল্প লেখে। কারণ প্রতিটি গল্পই আসলে একটি বাড়ি; যেখানে লেখক কিছুক্ষণের জন্য আশ্রয় নেয়।”

ঠিক তখনই মোবাইল ফোন বেজে উঠল। অপরিচিত নম্বর।
— “হ্যালো, আপনি কি প্রদ্যুম্ন মিত্র বলছেন?”
— “হ্যাঁ বলুন ।”
— “আমি সেন্ট মেরিজ একাডেমি থেকে বলছি। আপনার বায়োডাটা পেয়েছি। যদি কাল সকাল দশটার মধ্যে স্কুলে আসতে পারেন…”
প্রদ্যুম্নর বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল।
— ” হ্যাঁ হ্যাঁ… অবশ্যই আসব।” ফোন কেটে গেল।

সে অনেকক্ষণ স্থির হয়ে বসে রইল। বাইরে সকালের রোদ ধীরে ধীরে কদমপাতায় নেমে এসেছে। তার মনে হল, দীর্ঘ অন্ধকারের পর জীবনের জানালায় যেন একটু আলো ঢুকতে শুরু করেছে।
তবু সে জানে, আলো মানেই গন্তব্য নয়। অনেক সময় আলোই মানুষকে আরও দীর্ঘ পথের দিকে ডেকে নিয়ে যায়। আর সেই পথেই হয়ত জন্ম নেবে এমন এক উপাখ্যান, যার শেষ এখনও কেউ জানে না।

দ্বিতীয়

পরদিন সকালেই প্রদ্যুম্ন সেন্ট মেরিজ একাডেমিতে পৌঁছাল। ছোট্ট বেসরকারি স্কুল। দোতলা ভবন, সামনে কৃষ্ণচূড়ার গাছ। প্রধান শিক্ষক অরুণাভ চক্রবর্তী তার জীবনবৃত্তান্ত দেখে বললেন,
— “আপনার লেখালিখির কথা জানি। তবে আমাদের স্কুলে বেতন খুব বেশি নয়। মাসে বারো হাজার টাকা। পারবেন?”
প্রদ্যুম্ন একটু হেসে বলল,
— “অর্থের প্রয়োজন আছে, কিন্তু কাজের মর্যাদা আমার কাছে বেশি। আমি চেষ্টা করব।”
অরুণাভবাবু তার দিকে তাকিয়ে বললেন,
— “আজকাল এমন উত্তর খুব কম শোনা যায়। আগামী সোমবার থেকেই যোগ দিন।”
স্কুলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই প্রদ্যুম্ন বুঝতে পারল, এখানে শুধু পড়ালেই হবে না, শিশুদের মনও বুঝতে হবে।

প্রথম ক্লাসে ঢুকতেই ছাত্রছাত্রীরা একসঙ্গে দাঁড়িয়ে বলল,
— “গুড মর্নিং স্যার!”
— “গুড মর্নিং। আজ বই খুলবে না। আগে নিজেদের মন খুলে বসো।” সবাই অবাক।
ঋত্বিক জিজ্ঞেস করল,
— “স্যার, আজ পড়া হবে না?”
— “হবে। তবে মানুষের পড়া আগে।”
ক্লাসে হাসির ঢেউ উঠল।

প্রদ্যুম্ন বোর্ডে বড় করে লিখলেন— ‘স্বপ্ন’।
— “বল তো, স্বপ্ন কী?”
মৌ নামের একজন ছাত্রী বলল,
— “ঘুমের মধ্যে যা দেখি।”
— “আর জেগে যা দেখি?”
সবাই চুপ।
প্রদ্যুম্ন বললেন,
— “জেগে দেখা স্বপ্নই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে।”

একদিন রচনা লিখতে দিয়েছিলেন— ‘আমার প্রিয় মানুষ’।
সবাই বাবা, মা, দাদু, দিদার কথা লিখেছে। শুধু সপ্তর্ষি লিখেছে— “আমার প্রিয় মানুষ প্রদ্যুম্ন স্যার।”
প্রদ্যুম্ন তাকে ডেকে বললেন,
— “বাবা-মায়ের নাম লিখলে ভাল হতো।”
ছেলেটি মাথা নিচু করে বলল,
— “স্যার, বাবা বাইরে থাকেন। মা সারাদিন কাজ করেন। আমার গল্প শোনার সময় শুধু আপনিই দেন।”
প্রদ্যুম্নর গলা শুকিয়ে গেল।
সেদিন বাড়ি ফিরে অনেকক্ষণ কিছু লিখতে পারেনি। তার মনে হল, শিক্ষকতা পেশা নয়, মানুষের জীবনে নীরবে ঢুকে পড়ার এক আশ্চর্য অধিকার।
ক্রমে স্কুলজুড়ে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে লাগল। টিফিনের সময় ছাত্রছাত্রীরা তাকে ঘিরে ধরত।
— “স্যার, একটা গল্প বলুন।”
— “স্যার, কবিতা শোনান।”
— “স্যার, আপনার বই কবে বেরোবে?”
প্রদ্যুম্ন হেসে বলতেন,
— “তোমরাই তো আমার সবচেয়ে বড় বই। তোমাদের পড়তেই আমার সারাজীবন লেগে যাবে।”
একদিন প্রধান শিক্ষক বললেন,
— “মিত্রবাবু, আপনার জন্য অভিভাবকদের কাছ থেকেও খুব প্রশংসা পাচ্ছি। বেতন বাড়ানোর ক্ষমতা এখন নেই, কিন্তু সম্মানটা অন্তত দিতে পারছি।”
প্রদ্যুম্ন মৃদু হেসে উত্তর দিল,
— “শিক্ষকের সবচেয়ে বড় বেতন ছাত্রের বিশ্বাস। বাকিটা জীবন কোনমতে দিয়ে দেয়।”
সেদিন বিকেলে বাড়ি ফিরে সে নতুন গল্পের খাতা খুলল। প্রথম লাইন লিখল—
“মানুষের সবচেয়ে সুন্দর পরিচয় সে কতটা শিখিয়েছে, কতটা শিখেছে নয়।”

তৃতীয় খণ্ড

মাঝে কতগুলো বছর কেটে গেছে।
প্রদ্যুম্ন মিত্রর বয়স এখন সাঁইত্রিশ। চুলের দু-একটি গোছায় রূপালি রং। এখনও বিয়ে করেননি। বই, ডায়েরি, ট্রেনের জানালা আর নদীর ধারে হাঁটা—এই তার বোহেমিয়ান জীবন।
এরই মধ্যে তার কয়েকটি গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। পাঠকের সংখ্যা বেড়েছে, কিন্তু জীবনযাপনের সরলতা বদলায়নি।
সেই বছর বহরমপুর বইমেলায় একটি প্রকাশনীর স্টলে বসে নিজের বইয়ে স্বাক্ষর দিচ্ছিলেন।
এক তরুণী এগিয়ে এসে বলল,
— “আপনিই কি প্রদ্যুম্ন মিত্র?”
— “হ্যাঁ, বলুন।”
— “আমি শ্রেয়সী সেনগুপ্ত। আপনার ‘নদীর ওপারে নীরবতা’ পড়েছি। মনে হল , লেখক নিশ্চয়ই অনেক কষ্ট নিয়ে বাঁচেন।”
প্রদ্যুম্ন মৃদু হেসে বললেন,
— “সব কষ্ট লেখা হয় না। কিছু কষ্ট লেখককে লিখিয়ে নেয়।”
শ্রেয়সী বইটা এগিয়ে দিল।
— “একটা স্বাক্ষর করবেন?”
— “কী লিখব?”
— “লিখুন—’গল্পের চেয়েও জীবন বড়।”
প্রদ্যুম্ন লিখলেন।

সেই থেকেই আলাপ। তারপর ফোন, কফিশপ, বই, কবিতা, নদীর পাড়—ধীরে ধীরে দুজনের সম্পর্ক গভীর হল ।
একদিন ভাগীরথীর ধারে বসে শ্রেয়সী বলল,
— “তুমি কি আমাকে ভালবাসো?”
প্রদ্যুম্ন কিছুক্ষণ নদীর দিকে তাকিয়ে রইল।
— “ভালবাসি। কিন্তু আমি খুব সহজ মানুষ নই। আমার সংসারের অর্ধেক জায়গা দখল করে আছে লেখা।”
— “আমি তোমার লেখার সঙ্গেই থাকতে চাই।”
— “একদিন যদি মনে হয়, আমি তোমার চেয়ে গল্পকে বেশি সময় দিচ্ছি?”
— “তখন রাগ করব, তবু ছেড়ে যাব না।”

কয়েক মাস পরে ভালবেসেই তাদের বিয়ে হল ।
প্রথম দিকে ছোট্ট সংসার ভরে উঠল হাসি, চা, বই আর অকারণ খুনসুটিতে।
— “শোনো, আজ কিন্তু ল্যাপটপ বন্ধ। আমরা সিনেমা দেখব।” — শ্রেয়সী বলত।
— “আর আধঘণ্টা। একটা গল্প শেষ করছি।”
— “তোমার আধঘণ্টা মানে তিন ঘণ্টা।”
দুজনেই হেসে ফেলত।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই হাসি কমতে লাগল।

প্রদ্যুম্ন রাত জেগে লিখত। শ্রেয়সী চাইত একটু সময়, একটু বেড়ানো, একটু সাধারণ সংসার।
এক রাতে শ্রেয়সী বলল,
— “তুমি কি সত্যিই আমার সঙ্গে থাকো?”
— “এ কেমন প্রশ্ন?”
— “শরীরটা এখানে থাকে, মনটা কাগজে।”
প্রদ্যুম্ন দীর্ঘশ্বাস ফেলল।
— “লেখা আমাকে ছাড়ে না, শ্রেয়সী।”
— “তাহলে আমাকেই ছেড়ে দাও।”
সেদিন আর কোন কথা হয়নি।
লেখকের মনে হয়, ভালবাসা শুধু অনুভূতি নয়, সময় দেওয়ারও একটি শিল্প। শিল্পী যদি তার সমস্ত সময় শিল্পকেই দিয়ে দেন, তবে সম্পর্ক একদিন নিঃশব্দে অনাথ হয়ে পড়ে। আবার সম্পর্ককে বাঁচাতে গিয়ে যদি শিল্পকে হত্যা করা হয়, তবে মানুষ নিজের কাছেই পরাজিত হয়। এই দুইয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়েই অনেক সৃষ্টিশীল মানুষ আজীবন দোলাচলে থাকেন।

শেষ পর্যন্ত পারস্পরিক সম্মতিতেই ডিভোর্স হল।
আদালত থেকে বেরিয়ে শ্রেয়সী শুধু বলল,
— “ভাল থেকো।”
প্রদ্যুম্ন উত্তর দিল,
— “তুমিও।”

এর বেশি কোনো শব্দের প্রয়োজন ছিল না।
কয়েকদিন পরে একটি ছোট ব্যাগে দু-একটি জামা, প্রিয় ডায়েরি আর কলম নিয়ে সে আবার ট্রেনে উঠে পড়ল। গন্তব্য ঠিক নেই।
জানালার বাইরে দ্রুত পিছিয়ে যাচ্ছিল মাঠ, নদী, গাছ, স্টেশন। প্রদ্যুম্ন ডায়েরি খুলে লিখল—
“কিছু মানুষ ঘর খুঁজতে বেরোয়, কিছু মানুষ গল্প। আমি বুঝেছি, আমার ঘরও গল্পের ভেতরেই।”

ট্রেন এগিয়ে চলল। অস্তগামী সূর্যের আলো তার মুখে পড়ল। ভাঙা সংসারের দুঃখ ছিল, কিন্তু তাতে কোন পরাজয় ছিল না। কারণ সে জানত, মানুষের জীবন কখনও একটি মাত্র গল্পে শেষ হয় না।
একটি সম্পর্কের অবসান কখনও কখনও আর-একটি জীবনের সূচনা। এক একটি ক্ষত সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উপাখ্যানে রূপ নেয়। লেখকের কলম সেই উপাখ্যানেরই সাক্ষী।
প্রদ্যুম্ন মিত্র আবার অজানা পথের দিকে হাঁটতে শুরু করল।
সামনে হয়ত নতুন মানুষ, নতুন শহর, নতুন সম্পর্ক অপেক্ষা করছে। আর সেই অনিশ্চিত পথের বুক চিরেই, নীরবে, শব্দহীনভাবে জন্ম নিল আরেকটি নতুন উপাখ্যান।


Biswajit Mandal
N0019, Belpukur, Post-Balarampur Colony,Berhampur,Murshidabad, West Bengal,Pin 742165, mobile 94759342

আরও পড়তে পারেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_imgspot_imgspot_imgspot_img
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img
spot_imgspot_imgspot_img
- Advertisment -spot_imgspot_imgspot_img

জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য সমূহ

কামরুন নাহার on গুচ্ছ কবিতা
ফরিদ ভূঁইয়া on জুলাইয়ের কবিতা
Mehedi Hasan on তেলাপোকা