প্রচ্ছদকবিতাজুলাইয়ের কবিতা

লিখেছেন : আবু জুবায়ের

জুলাইয়ের কবিতা

আবু জুবায়ের 

আমার মানচিত্রে হাসিনার বুলেট বিঁধতে দাওনি

……………….………………………….

বীর শহীদ আবু সাইদ, আবু সাইদ, আবু সাইদ,
আমার মানচিত্রে হাসিনার বুলেট বিঁধতে দাওনি।
তোমার বুকে এতো সাহস, সে সাহস নেই ওদের,
তুমি বীরশ্রেষ্ঠ একালের, মুক্তিযোদ্ধা এই যুদ্ধের।
দেশ লুটে নিয়ে জনগণের বুকে গুলী চালিয়ে,
দেশ দুষমন এরা যাবে একদিন পালিয়ে।
ভারতের হাতে দেশটাকে দিয়েছে বিক্রি করে,
ক্ষমতা ধরে আছে গণতন্ত্র হত্যা করে।
তোমাকে লাল সালাম হে কমরেড,
তোমার মতো সাহসী এখনও আছে।
এদেশ একদিন শত্রু মুক্ত হবে,
আবু সাইদ , তোমার নাম চিরকাল বাংলার জমিনে রবে।
১৭ জুলাই ২০২৪

রক্তে রাঙানো বিপ্লবের ডাক
…………………………….

রক্ত ঝরছে , মাটি কাঁপছে 
শকুনেরা হিংস্র, নির্মম, নির্দয়
জনগণের হৃদয়ে জেগে   উঠেছে বারুদের স্ফুলিঙ্গ
চারিদিকে বিদ্রোহের আগুন, বিদ্রোহের ঝড়।
তোমরা যাদের রক্ত ঝরালে,
তাদের চোখে এখন আগুন, বুকে সাহস
নির্যাতনের প্রতিটি আঘাতে,
জন্ম নেবে নতুন এক বিপ্লবের গান।
তোমাদের শোষণের  লাঠি, বন্দুকের গুলি,
থামাতে পারবে না ওদের 
প্রতিটি রক্তবিন্দুতে জন্ম নেবে,
অগণিত বিপ্লবী, শৃঙ্খল ভাঙার বার্তা।
বুকে সাহস, হাতে প্রতিজ্ঞার বজ্রমুষ্টি 
জনতার কণ্ঠে ধ্বনিত, “মুক্তি চাই”,  “স্বাধীনতা চাই” 
গণমুখী শক্তি জেগে উঠেছে,
শকুনের রাজত্বে আনবে প্রলয়।
আমরা থামবো না, আমরা মাথা নত করবো না,
শকুনের তাণ্ডব থামিয়ে দেবো
প্রতিবাদের অগ্নিশিখায় জ্বলবে দেশ,
স্বাধীনতার আলোয় আলোকিত হবে মাটি।
তোমাদের লাঠির আঘাতে,
আমাদের প্রতিরোধ চলছে 
রক্তের প্রতিটি ফোঁটায় লিখবো,
বিপ্লবের নতুন ইতিহাস, ন্যায় ও সাহসের জয়গান।
গর্জে উঠবে প্রতিটি কণ্ঠস্বর,
অবিচারের বিরুদ্ধে অগ্নিবাণী
প্রতিবাদের আগুনে পুড়বে শাসকের আসন
নতুন ভোরে জাগবে নতুন বাংলাদেশ আবার।
মাটি রাঙানো রক্তের প্রতিশ্রুতি,
শোষণের শিকল ভাঙার সংকল্প এবার 
সাহসের মশাল জ্বলতে থাকবে 
বিপ্লবের ডাক শুনে ঘর থেকে বের হবে মানুষ।
তোমাদের নির্মম আঘাতে,
আমাদের প্রতিরোধ আরও দৃঢ় হচ্ছে 
সাহসের রেমিট্যান্স পৌঁছে দেবো
প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি হৃদয়ে, বিপ্লবে। 
জেগে উঠবে নতুন প্রভাত,
রক্তের দামে কেনা স্বাধীনতাকে 
শুকুনের ছোবল থেকে মুক্ত করবে জনতা 
আর এই জনতার নাম হবে মুক্তিযোদ্ধা।  

প্যারিস,  ১৬ জুলাই ২০২৪

লিবার্তে! লিবার্তে! আজাদী!আজাদী!

………………………………………..

প্যারিসের এই বাস্তিল থেকে ঢাকার রাজপথে,
ব্যারিকেডের আগুন জ্বলেছে নয়া বিপ্লব রথে।

সেন নদীর সেই ঝোড়ো হাওয়া আজ গঙ্গার বুকে বয়,
জনতার ভিড়ে শাসকের আজ হচ্ছে তো পরাজয়।

কণ্ঠে কণ্ঠে উঠছে বেজে শিকল-ভাঙার গান,
লিবার্তে! লিবার্তে! আজাদীর জয়গান!

ভারতের লালকেল্লা, পাকিস্তানের সিন্ধুতে,
বাংলাদেশের কালবৈশাখী, নেপালও  এক বিন্দুতে,
শ্রীলঙ্কার নীল সাগরের মাতাল করা ঢেউ
অধিকার ছাড়া বিনা সংগ্রামে, ছাড় তো দেবে না কেউ!

কাঁটাতার দিয়ে রুখবে কে আর? রক্তে জাগে মাটি,
একই নিঃশ্বাসে গাইছে সবাই, লিবার্তে! আজাদী!

বুলেটের মুখে দাঁড়িয়ে যে জন বুক ফুলিয়ে রাখে,
ফরাসি প্রেমের বোহেমিয়া আর বিপ্লব মেখে থাকে।

ক্যাফের আড্ডায়, , ফুটপাতে আর মাঠে,
মিথ্যের জাল ছিঁড়ে ফেলে আজ নতুন সূর্য ওঠে।

শ্রমিকের ঘামে, কৃষকের দামে, চলছে কষাকষি,
অধিকার চাই, সাম্য যে চাই, লিবার্তে! আজাদী!

শাসকের ওই রক্তচক্ষু, কারাগারের ভয়,
 তুচ্ছ সে সব, হতেই হবেই জুলুমের ক্ষয়।

সাম্যতা  আর ভাতৃত্ব ‘র মন্ত্রে শ্লোগান দাও হেসে 
দক্ষিন এশিয়া ভরে যাক নতুন নতুন দেশে । 

ভেদাভেদ ভুলে হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ কি খ্রিষ্টান,
এক কাতারেতে দাঁড়িয়ে ধরেছে লিবার্তের স্লোগান!

ক্ষুধার পেটেতে কান্না চেপে আর কতকাল সওয়া?
বন্ধ ঘরেতে দমবন্ধ, চাই যে খোলা হাওয়া।

সত্যি বলার অপরাধে যারা দিনের পর দিন বন্দি,
শাসকের সাথে মিথ্যে কথার করছে না কোনো ফন্দি,
তাদের রক্তে লাল হয়ে যায় রাজপথ-ঘাট-মাটি,
গর্জে ওঠে হাজারো বক্ষ ,  লিবার্তে! আজাদী!আজাদী!

আজ নয় আপোস-রফা, পিছপা হবো না কেউ,
বুর্জোয়াদের প্রাসাদে আজ আছড়ে পড়ুক ঢেউ।

মরুক শোষণ, বাঁচুক মানুষ, জাগুক নতুন ভোরে,
মুক্তির স্বাদ আসুক নেমে প্রতিটি কুঁড়েঘরে।

বজ্রকণ্ঠে গর্জে উঠুক, কাঁপুক বিশ্ব-মাটি
লিবার্তে! লিবার্তে! আজাদী! আজাদী!
লিবার্তে! লিবার্তে! আজাদী! আজাদী!

প্যারিস , ২৫ জুলাই ২০২৬

বারুদ ও নীল প্যাড
……………………
নতুন কেনা নীল রঙের প্যাডটা সামনে খুলে বসলাম;
ভেবেছিলাম, আজ অন্তত একটা খাঁটি প্রেমের কবিতা লিখে ফেলবো 
প্রথম লাইনে থাকবে নদীর কথা, দ্বিতীয় লাইনে বিস্তীর্ণ আকাশ,
আর তৃতীয় লাইনে তোমার ওই শান্ত দু’টি চোখের দীর্ঘ গল্প ।
খুব গুছিয়ে লিখতে শুরু করলাম
‘তোমার চোখের অতলে যে গভীর শান্তি…’
ঠিক এইটুকু লিখতেই সকালের খবরের কাগজের শিরোনামটা মনে পড়ে গেল।
শান্তির বদলে কলমের ডগা দিয়ে তরতর করে বেরিয়ে এলো ‘সশস্ত্র মহড়া’।
আমি লাইনটা কেটে আবার লিখলাম,
‘তোমার ওই মায়াবী চাহনি…’
এবার চাহনির ঠিক পাশেই এসে দাঁড়িয়ে গেল একটা জলপাই রঙের ট্যাংক!
কী মুশকিল! আমি লিখতে চাইছি হৃদয়ের স্পন্দনের কথা,
আর খাতার ওপর স্পষ্ট ফুটে উঠছে সামরিক বুটের আওয়াজ।
উপমা দিতে গেলাম লাল গোলাপের,
কোথা থেকে একটা পোড়া বারুদের গন্ধ এসে শব্দের ভেতর ঢুকে পড়ল।
রূপকের কপোত-কপোতীরা সব আগেই ভয়ে উড়ে গেছে,
কবিতার ঠিক মাঝখানে এখন খোঁড়া হচ্ছে এক গভীর পরিখা।
পুরো লেখাটা যখন শেষ হলো,
পড়ে দেখি, প্রেমিকা সেখানে ধারেকাছেও নেই।
ছন্দ আর মাত্রার ভেতরে কেবল গিজ গিজ করছে
কার্তুজ, ল্যান্ডমাইন, স্নাইপার আর তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
নীল প্যাডের পাতাটা ছিঁড়ে যত্ন করে খামে ভরলাম।
প্রেমিকাকে আর পাঠানো হলো না,
ভাবছি সোজা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেব;
প্রেমিক না হতে পারি, অন্তত নিখুঁত একটা যুদ্ধ-পরিকল্পনাতো লিখে ফেললাম। 

মাথা নত করার কৌশল
…………………………

আমি ইদানীং ভাবছি, মাথা নত করা শিখব।
বইপত্রে বিস্তর খোঁজাখুঁজি করলাম,
কোথাও কোনো সঠিক নিয়মকানুন লেখা নেই।
জ্যামিতি বইতে নানারকম কোণ আঁকা আছে ঠিকই,
কিন্তু ঠিক কত ডিগ্রি ঝুঁকলে নিখাদ বিনয় প্রকাশ পায়,
আর ঠিক কত ডিগ্রি পেরোলে তা মেরুদণ্ডহীনতা বোঝায়,
তার কোনো স্পষ্ট হিসেব কোথাও পেলাম না।
ডাক্তারকে একদিন চুপিচুপি জিজ্ঞেস করেছিলাম।
তিনি ঘাড়ের এক্স-রে রিপোর্ট দেখে গম্ভীর মুখে জানালেন,
“আপনার ঘাড়ে হাড়ের ক্ষয় শুরু হয়েছে,
সোজা হয়ে তাকানোই এখন আপনার জন্য ভালো।”
কিন্তু সোজা হয়ে তাকালেই চারপাশের মানুষজন কেমন রেগে যায়!
অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্তা থেকে শুরু করে বাজারের মুদি দোকানি,
সবাই চায় আমি যেন একটু নিচু হয়ে কথা বলি।
যাদের দেখি বেশ সুন্দর করে মাথা নামিয়ে ফেলতে পারে,
তাদের দিকে আমি প্রবল বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকি।
কী সাবলীল তাদের ভঙ্গি!
যেন ঘাড়ের কাছে কোনো হাড়গোড় নেই, পুরোটাই নরম রাবার।
আমি একবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে একটু চেষ্টা করেছিলাম,
ঘাড়ের রগ এমনভাবে টান ধরল যে,
তিন দিন মলম লাগিয়ে বিছানায় পড়ে থাকতে হলো।
তাই ঠিক করেছি, আর নিজে নিজে কোনো চেষ্টা নয়।
সংবাদপত্রে একটা ছোট বিজ্ঞাপন দেব ভাবছি:
“একজন সুদক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক প্রয়োজন,
যিনি বিনা ব্যথায় এবং অত্যন্ত দ্রুতগতিতে
মাথা নত করার আধুনিক কৌশল শেখাতে পারবেন।”
বেতন নিয়ে কোনো দরকষাকষি করব না,
কারণ মাথা উঁচু করে বাঁচার খরচ আজকাল অনেক বেশি।

সরকার বদল
…………….

সব সরকারই বলে— আমরা আলাদা।
তারপর শপথের মঞ্চ ভেঙে গেলে দেখা যায়, চেয়ার একই।
শুধু বসার ভঙ্গি বদলায়।
গতকাল যারা হাততালি দিয়েছিল, আজ তারা টেবিল চাপড়ায়।
গতকাল যারা প্রশ্ন করেছিল, আজ তারা প্রশ্নকে রাষ্ট্রদ্রোহ বলে।
ফাইলের ওপর নতুন সিল পড়ে, ভেতরের পুরোনো অন্যায়ে হিসাবগুলো মুছে যাচ্ছে। 
মানুষ প্রতি পাঁচ বছরে সরকার বদলায়।
ক্ষমতা প্রতি পাঁচ বছরে শুধু নিজের আয়নাটা পাল্টায়।
রাষ্ট্রের মুখে নতুন রঙ লাগে, রাষ্ট্রের দাঁত আগের মতোই ধারালো থাকে।
সুযোগ পেলেই জনগণের পাছায় কামড় বসায়। 

আমি চোর থেকে  ডাকাত হয়ে যাব
……………………………………..

আমি আগে নেহাতই এক সাদামাটা ছিঁচকে চোর ছিলাম।
রাতের বেলা তার কেটে দুই টাকার বিদ্যুৎ চুরি,
ইউনিয়ন পরিষদের গোডাউন থেকে দুই বস্তা ত্রাণের চাল,
আর বড়জোর  গ্রামের রাস্তার কালভার্টের রড গায়েব করা।
এতেই আমার দিব্যি দিন কেটে যাচ্ছিল।
কিন্তু আজকাল দেখছি, দেশে ছোট চোরদের কোনো ইজ্জত নাই।
বাসে কারো মানিব্যাগ মারলে পাবলিক ধরে আচ্ছামতো ধোলাই দেয়,
যেন আমি একাই দেশের অর্থনীতির বারোটা বাজিয়েছি!
অথচ যেই নেতা আস্ত একটা ব্যাংক গিলে ছিবড়ে করে দিল,
কানাডার বেগম পাড়ায় বউয়ের নামে ডুপ্লেক্স বাড়ি কিনল,
কাল দেখলাম জেলা সদরে তাকেই বিশাল সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে।
তার গাড়ির সামনে-পেছনে সাইরেন বাজিয়ে পুলিশের প্রটোকল!
এসব দেখে-শুনে আমার আত্মসম্মানে বড্ড আঘাত লেগেছে।
আমি ঠিক করেছি, আর এই খুচরো চুরি-চামারি নয়।
আমি এবার চোর থেকে একেবারে ‘পলিটিক্যাল ডাকাত’ হয়ে যাব!
মুখে আর চোরের মতো কালো কাপড় বাঁধব না,
গায়ে একটা ধবধবে সাদা সিল্কের পাঞ্জাবি আর চোখে কালো চশমা পরব,
হাতে কোনো বাতিল ছাতার বাঁট নয়, নেব লেটেস্ট মডেলের আইফোন।
স্টেজে দাঁড়িয়ে মাইক ফাটিয়ে বলব— ‘ভাইসব, আমি আপনাদেরই সেবক!’
তারপর আর রাতের অন্ধকারে কারো পকেট হাতড়াব না,
সরাসরি মেগা প্রজেক্টের টেন্ডার বাগাব,
আর খেলাপি ঋণের নামে হাজার কোটি টাকা লোপাট করে
দুবাইয়ে আরামসে ছুটি কাটাতে যাব।
খবরের কাগজে তখন অন্তত ‘বিশিষ্ট সমাজসেবক’ হিসেবে প্রথম পাতায় ছবি তো উঠবে!
টিভির টকশোতে আমাকে ডাকা হবে দেশের অর্থনীতি নিয়ে জ্ঞান দেওয়ার জন্য,
আর লোকে সম্মানে  বলবে ‘উনি আর যাই হোন, ছিঁচকে চোর নন,
একেবারে ভিআইপি ডাকাত!’

রক্তে রাঙানো বিপ্লবের ডাক
……………………………..

রক্ত ঝরছে , মাটি কাঁপছে 
শকুনেরা হিংস্র, নির্মম, নির্দয়
জনগণের হৃদয়ে জেগে   উঠেছে বারুদের স্ফুলিঙ্গ
চারিদিকে বিদ্রোহের আগুন, বিদ্রোহের ঝড়।
তোমরা যাদের রক্ত ঝরালে,
তাদের চোখে এখন আগুন, বুকে সাহস
নির্যাতনের প্রতিটি আঘাতে,
জন্ম নেবে নতুন এক বিপ্লবের গান।
তোমাদের শোষণের  লাঠি, বন্দুকের গুলি,
থামাতে পারবে না ওদের 
প্রতিটি রক্তবিন্দুতে জন্ম নেবে,
অগণিত বিপ্লবী, শৃঙ্খল ভাঙার বার্তা।
বুকে সাহস, হাতে প্রতিজ্ঞার বজ্রমুষ্টি 
জনতার কণ্ঠে ধ্বনিত, “মুক্তি চাই”,  “স্বাধীনতা চাই” 
গণমুখী শক্তি জেগে উঠেছে,
শকুনের রাজত্বে আনবে প্রলয়।
আমরা থামবো না, আমরা মাথা নত করবো না,
শকুনের তাণ্ডব থামিয়ে দেবো
প্রতিবাদের অগ্নিশিখায় জ্বলবে দেশ,
স্বাধীনতার আলোয় আলোকিত হবে মাটি।
তোমাদের লাঠির আঘাতে,
আমাদের প্রতিরোধ চলছে 
রক্তের প্রতিটি ফোঁটায় লিখবো,
বিপ্লবের নতুন ইতিহাস, ন্যায় ও সাহসের জয়গান।
গর্জে উঠবে প্রতিটি কণ্ঠস্বর,
অবিচারের বিরুদ্ধে অগ্নিবাণী
প্রতিবাদের আগুনে পুড়বে শাসকের আসন
নতুন ভোরে জাগবে নতুন বাংলাদেশ আবার।
মাটি রাঙানো রক্তের প্রতিশ্রুতি,
শোষণের শিকল ভাঙার সংকল্প এবার 
সাহসের মশাল জ্বলতে থাকবে 
বিপ্লবের ডাক শুনে ঘর থেকে বের হবে মানুষ।
তোমাদের নির্মম আঘাতে,
আমাদের প্রতিরোধ আরও দৃঢ় হচ্ছে 
সাহসের রেমিট্যান্স পৌঁছে দেবো
প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি হৃদয়ে, বিপ্লবে। 
জেগে উঠবে নতুন প্রভাত,
রক্তের দামে কেনা স্বাধীনতাকে 
শুকুনের ছোবল থেকে মুক্ত করবে জনতা 
আর এই জনতার নাম হবে মুক্তিযোদ্ধা।  

প্যারিস,  ১৬ জুলাই ২০২৪

আরও পড়তে পারেন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

spot_imgspot_imgspot_imgspot_img
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img
spot_imgspot_imgspot_img
- Advertisment -spot_imgspot_imgspot_img

জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য সমূহ

Mohammad Burhan on গুচ্ছ কবিতা
কামরুন নাহার on গুচ্ছ কবিতা
ফরিদ ভূঁইয়া on জুলাইয়ের কবিতা
Mehedi Hasan on তেলাপোকা